News Update: নিখোঁজ হওয়ার ১৫ দিন পরেও খোঁজ নেই সায়ানের! উদ্বিগ্নতায় দিন কাটছে পরিবারের
ডেইলি লাইফ ২৪ নিউজ কোচবিহার ব্যুরো: নিখোঁজ হওয়ার পর কেটে গিয়েছে ১৫ টা দিন। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো খোঁজ মেলেনি খাগড়াবাড়ি এলাকার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সায়নের। তাঁর ফোন সুইচ অফ রয়েছে এখনও পর্যন্ত। ফলে পুলিশের তাঁকে খোঁজার বিষয়ে অনেকটাই অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাঁর প্রায় সকল বন্ধু এবং বান্ধবীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবুও কোন সদুত্তর মেলেনি। মূলত এই কারণেই একপ্রকার ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে পুলিশ থেকে শুরু করে সায়ানের পরিবার। অন্যদিকে এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ না মেলে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে।
সায়নের মা মামনি দাস জানান, "সায়নের বয়স মাত্র ১৬ বছর। যেদিন সেদিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল। সেদিন তার পরনে ছিল ধূসর ও সাদা রঙের বিন্দু ওয়ালা একটি ফুল হাতা গেঞ্জি, নেভি ব্লু কালারের ট্রাকসুট, সাদা সু জুতো। এছাড়াও একটি কালো চামড়ার পিঠ ব্যাগ ছিল তাঁর সঙ্গে।" সায়নের মামা উজ্জ্বল দাস জানান, "সায়নের বাবা মারা যায় তাঁর ছোটবেলাতেই। তারপর থেকে তাঁর মা মামনি একটি কোম্পানির সেলসম্যানের পদে কাজ করে। তবুও ছেলের পড়াশোনায় কোনও প্রকার খামতি রাখেনি সে। তবে বর্তমান সময়ে ছেলের চিন্তায় সায়নের মা কথা বলার মতন পরিস্থিতিতেই নেই। ছেলের চিন্তায় কার্যত অস্থির হয়ে রয়েছে সে।"
নিখোঁজ হওয়ার দিন সন্ধে নাগাদ সে বন্ধুদের সঙ্গে সাগরদিঘি চত্বরে গিয়েছিল ঘুরতে। তারপর থেকেই সে নিখোঁজ হয়ে রয়েছে। চলতি বছরের রামভোলা হাই স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিল সায়ন। পরীক্ষার পর সে সায়েন্স বিভাগ নিয়ে পড়াশোনাও শুরু করেছিল। তবে আচমকাই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগের দিন রাতে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় সে। তারপর তাঁর পরিবারের মানুষেরা বহু খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনও হদিশ পাননি। এরপর পুন্ডিবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর পরিবারের মানুষের।
পুন্ডিবাড়ি থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, "ইতিমধ্যেই শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সায়নের ছবি দিয়ে পোস্টার বানিয়ে লাগানো হয়েছে। এছাড়া সায়নের খোঁজ চালানো হচ্ছে।" সায়নের পরিবার আমাদের কাছে জানিয়েছে। যদি কোন ব্যক্তি সায়নের খোঁজ পান তবে যেন অবশ্যই ৯৭৭৫০৮১৯১০ নম্বরে যোগাযোগ করেন।