News Update: "বদল হয়েছে শিশু সন্তান!" এই অভিযোগে তীব্র উত্তেজনা এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে


ডেইলি লাইফ ২৪ নিউজ কোচবিহার ব্যুরো: এক অবাক করা অভিযোগ উঠল এবার জেলা কোচবিহারে। কোচবিহার এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। এখানেই মাতৃমা বিভাগে সদ্যজাত শিশু অদল বদল করার অভিযোগ উঠলো। অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক শোরগোল শুরু কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল ও কলেজ হাসপাতালে। তীব্র উত্তেজনা ছড়ালো হাসপাতাল চত্বরে। ঘটনার খবর পেয়ে মেডিক্যাল ও কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, "গত শনিবার রাতে পায়েল শীল নামে এক গর্ভবতী মহিলা এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রসবের জন্য ভর্তি হন। এরপর এদিন সকালে ওই মহিলার প্রসব হয়। ওই মহিলার বাড়ির লোকজন ও প্রসূতি মহিলা জানতে পারেন তিনি ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু, কিছু সময় যাওয়ার পর যখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সদ্যজাত শিশুকে তাঁর মায়ের হাতে তুলে দেন। তখন প্রসুতির ও তাঁর পরিবার দেখেন যে তাঁর সন্তান বদলে মেয়ে সন্তান তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আর এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয় গোটা গন্ডগোল।"

ওই প্রসূতি মহিলা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানান, "এদিন যখন সন্তান জন্ম নেয় তখন হাসপাতালের সিস্টার তাঁদের জানিয়েছেন ছেলে সন্তান হয়েছে। এমনকি তাঁদের একটি রেজিস্টার খাতায় সই করানো হয়। এরপর কিছুক্ষণ বাদে সন্তানকে মায়ের কাছে দেওয়া হয়। তখন তাঁরা জানতে পারেন ওই পুত্র সন্তানকে বদল করে কন্যা সন্তান মায়ের কাছে দেওয়া হয়েছে। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিক্ষোভ শুরু করেন।" 

এই বিষয়ে এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এমএসভিপি রাজীব প্রাসাদ জানান, "তাঁদের কাছে অভিযোগ এসেছে যে পুত্র সন্তানকে বদল করে প্রসুতির পরিবারে হাতে কন্যা সন্তান দেওয়া হয়েছে। পরে খবর পেয়ে তাঁরা তদন্ত শুরু করে জানতে পারেন এমন কোন ঘটনা ঘটে নি। তাঁদের স্টাফ ভুল করে কন্যা সন্তানের জায়গায় পুত্র সন্তান লিখে ফেলেছিল। এদিন সারা দিনে মাতৃমা-তে দুটি কন্যা সন্তান জন্ম হয়েছে। তাই পুত্র সন্তানের বদল করে কন্যা সন্তান দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। পরে তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে আমার কাছে আসেন এবং পড়ে সমস্তটা নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা করা হয় এবং সমস্যা সমাধান হয়।"

যদিও গোটা ঘটনায় এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তীব্র চাঞ্চল্যের পরিস্থিতি রয়েছে। কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ এসে গোটা পরিস্থিতির মোকাবেলা করে। এবং গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে  পুলিশের পক্ষ থেকে।